পেঁয়াজ চাষ- Onion


ভেষজ গুণঃ
- হজমি নালার জ্বালা কমায়
- রক্ত পরিশোধন করে
- এ্যাজমা ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়
- পোকার কামড়ে বিশুদ্ধ মধুসহ প্রলেপ দিলে জ্বালা কমায়
- কাঁচা পেঁয়াজের রস চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক।
- উত্তেজক হিসেবে কাজ করে
- প্রস্রাবের বেগ বাড়ায়
- শ্বাসনালীর মিউকাস কমায়
- ঋতুস্রাব বাড়ায়
পুষ্টিমূল্যঃ এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম ও সামান্য ভিটামিন ‘সি’ আছে।
ব্যবহারঃ তরকারীতে
মসলা হিসেবে ব্যবহার ছাড়াও বিভিন্ন মুখরোচক খাবার তৈরিতে পেঁয়াজের ব্যবহার রয়েছে।
মাটিঃ
·
বেলে দোআঁশ ও দোআঁশ
·
মাটিতে অধিক জৈব পদার্থ
·
Optimum pH : 5.8-6.5
বীজের হার:
বীজ তলার ( ৩ মি × ১ মি × ১৫-২০ সে মি ) জন্য ২০-২৫ গ্রাম ।
ছিটিয়ে বুনলে ৩-৪ কেজি / হেক্টর ।
জায়গা:
15 cm ( plant to plant)
15 cm ( row to row
50 cm (Bed to Bed )
জাত:
·
BARI Piaz- 1 ( শীতকালীন
)
·
BARI Piaz- 2 ( গ্রীষ্মকালীন
)
·
BARI Piaz- 3 ( গ্রীষ্মকালীন
)
·
Faridpuri vati (ফরিদপুরী)
·
Salta( সালতা)
·
Taherpuri ( তাহেরপুরী
)
·
Kalash Nagari ( কলস নগরী
)
·
Jhitka (যিটকা
)
চাষাবাদ পদ্ধতি:
·
বীজ দ্বারা
·
ছোট বাল্ব দ্বারা
·
বুলবিল দ্বারা
স্থানান্তর:
· সাধারনত October থেকে নভেম্বর মাসে বীজ বপন করা হয় ।
· দেরিতে বপন করার ক্ষেত্রে জানুয়ারীতে বপন করলে এপ্রিল মাসে ফসল উত্তোলন করা যাবে ।
বীজের হারঃ ১০০০-১২০০ কেজি ।
জৈব সার ও সার প্রয়োগ:
·
গোবর- ১০-১২ টন/ হেক্টর ।
·
ইউরিয়া : 200-300 kg/ ha
· টিএসপি: 150-200 kg/ ha
·
এমপি: 250-300 kg/ ha
প্রয়োগের পদ্ধতি:
· গোবর ও TSP জমি তৈরীর পূর্বে দিতে হবে ।
· Urea ও MoP চারা বপনের ৩০ ও ৬০ দিন পর ছিটিয়ে দিতে হবে ।
অন্তর্বর্তীকালীন পরিচর্যাঃ
· ফুল ভেঙ্গে দিতে হবে তা নাহলে পিয়াজ বড় হবেনা ।
· সময় মতো আগাছা ও mulching করতে হবে ।
সেচ দেয়া:
স্থানান্তর এর ক্ষেত্রে ৮-৯ বার
শীত কালে ১৫-২০ বার
পেঁয়াজের রোগঃ
|
নাম |
পেঁয়াজের পার্পল ব্লচ রোগ |
|
লক্ষণ |
·
প্রথমে পাতা ও কান্ডে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বাদামি দাগের সৃষ্টি করে। ·
আক্রান্ত পাতা উপর থেকে মরে আসে । ·
হঠাৎ করে পাতা ও কান্ড ভেঙ্গে পড়ে । |
|
প্রতিকার |
·
ফসল কাটার পর আক্রান্ত ক্ষেতের নাড়া পুড়ে নষ্ট করা । ·
সুস্থ সবল ও রোগমুক্ত গাছ হতে বীজ ব্যবহার করা । ·
আক্রান্ত জমিতে প্রতি বছর পেঁয়াজ চাষ না করা। । ·
বীজ বপনের পূর্বে বীজ শোধন করা( প্রোভেক্স ২ গ্রাম , ব্যাভিস্টিন ২ গ্রাম/প্রতি কেজি বীজ) ·
প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ইপ্রোডিয়ন বা ২ গ্রাম রিডোমিল গোল্ড মিশিয়ে গাছে স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। |
|
নাম |
পেঁয়াজের ব্লাইট রোগ |
|
লক্ষণ |
·
প্রথমে পাতা ও কান্ডে ভেজা বাদামি দাগের সৃষ্টি করে। ·
আক্রান্ত পাতা উপর থেকে ক্রমেই মরে আসে । |
|
প্রতিকার |
·
ফসল কাটার পর আক্রান্ত ক্ষেতের নাড়া পুড়ে নষ্ট করা । ·
সুস্থ সবল ও রোগমুক্ত গাছ হতে বীজ ব্যবহার করা । ·
আক্রান্ত জমিতে প্রতি বছর পেঁয়াজ চাষ না করা। । ·
বীজ বপনের পূর্বে বীজ শোধন করা( প্রোভেক্স ২ গ্রাম , ব্যাভিস্টিন ২ গ্রাম/প্রতি কেজি বীজ) ·
প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ইপ্রোডিয়ন বা ২ গ্রাম রিডোমিল গোল্ড মিশিয়ে গাছে স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। |
|
নাম |
পেঁয়াজের কান্ড পচা রোগ |
|
লক্ষণ |
·
আক্রান্ত গাছের পাতা হলদে হয়ে ঢলে পড়ে। ·
আক্রান্ত স্থানে পচন ধরে । |
|
প্রতিকার |
·
ফসল কাটার পর আক্রান্ত ক্ষেতের নাড়া পুড়ে নষ্ট করা । ·
সুস্থ সবল ও রোগমুক্ত গাছ হতে বীজ ব্যবহার করা । ·
আক্রান্ত জমিতে প্রতি বছর পেঁয়াজ চাষ না করা। । ·
বীজ বপনের পূর্বে বীজ শোধন করা( প্রোভেক্স ২ গ্রাম , ব্যাভিস্টিন ২ গ্রাম/প্রতি কেজি বীজ) ·
প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম প্রোভেক্স বা ২ গ্রাম ব্যাভিস্টিন মিশিয়ে গাছে স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। |
পোকামাকড় দমনঃ
|
নাম |
পেঁয়াজের থ্রিপস |
|
লক্ষণ |
১। পেঁয়াজের পাতার রস চুষে ফলে প্রথমে সাদা লম্বাটে দাগ দেখা যায় পরে পাতার অগ্রভাগ বাদামি হয়ে শুকিয়ে যায়। |
|
প্রতিকার |
১। জৈব কীটনাশক ব্যবহার (বাইকাও) ২। শুধুমাত্র পানি স্প্রে করে। ৩। সাবানের গুড়া ৩-৫ গ্রাম প্রতি লিটার পানি মিশিয়ে ব্যবহার করা। ৪। অতিরিক্ত আক্রমণে প্রতি লিটার পানিতে ডাইমেথোয়েট ২ মিলি, ম্যালাথিয়ন অ সুমিথিয়ন ২ মিলি, মিপসিন/ সপসিন ২ গ্রাম, মেটাসিস্টক্স ২ মিলি ইত্যাদি বালাইনাশক ব্যবহার করা। |
পেঁয়াজ রসূনের মতোই একটি ওষধি গুণ সম্পন্ন ফসল।